• September

    17

    2026
  • 23
  • 0
কংক্রিট ব্লককে কেন টেকসই নির্মাণসামগ্রী বলা হয়? Why Are Concrete Blocks a Sustainable Building Material?

কংক্রিট ব্লককে কেন টেকসই নির্মাণসামগ্রী বলা হয়? Why Are Concrete Blocks a Sustainable Building Material?

আমরা যখন কংক্রিট ব্লক দিয়ে একটি দেয়াল তৈরি করি, তখন কি সেই দেয়াল CO₂ (কার্বন ডাই-অক্সাইড) নির্গমন করে—নাকি সময়ের সঙ্গে বাতাসের CO₂ শোষণও করে?

প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নির্মাণসামগ্রীর পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে আলোচনা হলে সাধারণত আমরা দেখি—কোন উপাদান তৈরি করতে কত CO₂ নির্গত হয়েছে।কিন্তু একটি কংক্রিট পণ্য তৈরি হওয়ার পর তার পুরো জীবনচক্রে কী ঘটে, সেটিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে কারখানা-প্রস্তুত কংক্রিট ব্লক বা কংক্রিট মেসনরি ইউনিটের (CMU) ক্ষেত্রে একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া রয়েছে, যার নাম কার্বোনেশন বা CO₂ শোষণ। সহজ ভাষায় বললে—কংক্রিট ব্লক তৈরি হওয়ার পরও তার ভেতরে এমন একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া চলতে থাকে, যার মাধ্যমে পরিবেশের CO₂ কংক্রিটের কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ হয়। এই প্রক্রিয়াটিই কংক্রিটের কার্বন-চক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রথমে বুঝি CO₂ কংক্রিটের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত?

কংক্রিট তৈরি হয় মূলত সিমেন্ট, বালি, পাথর/এগ্রিগেট এবং পানি দিয়ে। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সিমেন্ট। পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট তৈরির সময় লাইমস্টোন, ক্লে ও এবং সিলিকা স্যান্ড প্রায় ১,৫০০°C (২,৭০০°F) তাপমাত্রায় ঘূর্ণায়মান চুল্লিতে (rotary kiln) উত্তপ্ত করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর CO₂ নির্গত হয়।

সিমেন্ট উৎপাদনের সময় নির্গত CO₂  এর প্রায়:

  • ৫০ শতাংশ আসে লাইমস্টোন বিয়োজন বা ক্যালসিনেশন থেকে।
  • ৪০ শতাংশ আসে চুল্লির জ্বালানি দহন থেকে।
  • প্রায় ১০ শতাংশ আসে কারখানার অন্যান্য প্রক্রিয়া থেকে।

মোটামুটি হিসেবে, প্রতি ১,০০০ কেজি পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট উৎপাদনের সময় প্রায় ৯০০ কেজি প্রতি ১,০০০ কেজি পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট উৎপাদনের সময় প্রায় ৯০০ কেজি কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) বায়ুমণ্ডলে নির্গত হতে পারে; এটি সিমেন্টের ‘এমবডিড কার্বন’ বা ‘কার্বন ফুটপ্রিন্ট’-এর (অর্থাৎ পরিবেশের ওপর এর কার্বন-জনিত প্রভাবের) একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। অন্য কথায়, সিমেন্টের কার্বন ফুটপ্রিন্ট একটি বাস্তবতা—একে অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই।

কিন্তু এখানেই গল্প শেষ নয়!

কংক্রিট তৈরি হওয়ার পর কী ঘটে?

সিমেন্ট যখন বালি, পাথর এবং পানির সঙ্গে মেশানো হয়, তখন হাইড্রেশন প্রসেস শুরু হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিমেন্ট একটি শক্ত আঠা বা জেল তৈরি করে, যা পাথরের কণাগুলোকে একসঙ্গে ধরে রাখে এবং কংক্রিট গঠিত হয়। একই সঙ্গে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড নামে একটি বাই-প্রোডাক্ট তৈরি হয়।

এরপর, কংক্রিট যখন বায়ুমণ্ডলের CO₂-এর সংস্পর্শে আসে, তখন একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু হয়। এই CO₂ ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম কার্বনেট গঠন করে। ক্যালসিয়াম কার্বোনেট হলো লাইমস্টোন এরই একটি রূপ। এর ফলে, CO₂-এর একটি অংশ রাসায়নিকভাবে কংক্রিটের কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ হয়ে যায়। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় কার্বোনেশন বা কার্বন গ্রহণ।

সহজভাবে বললে: সিমেন্ট উৎপাদন → CO₂ নিঃসরণ → কংক্রিট উৎপাদন → CO₂ -এর সংস্পর্শ → কার্বোনেশন → কিছু CO₂ আবার কংক্রিটের মধ্যে যুক্ত । অর্থাৎ কংক্রিটের একটি কার্বন চক্র রয়েছে।

তাহলে সব কংক্রিট কি একই হারে CO₂ শোষণ করে?

না। এখানেই আসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—কার্বোনেশনের হার। একটি কংক্রিট পণ্য কত দ্রুত CO₂ শোষণ করবে, তা নির্ভর করে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর। যেমন: কংক্রিটের ছিদ্রযুক্ত ভাব, আর্দ্রতা, কিউরিং (পানি দিয়ে ভেজানো), উপাদান, আবহাওয়ার অবস্থা এবং কংক্রিট কাঠামো কতটা খোলা বা ঘন।

সাধারণত, কংক্রিটের কাঠামো যত বেশি উন্মুক্ত বা ছিদ্রযুক্ত হয়, CO₂ তত সহজে এর ভেতরে প্রবেশ করে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে পারে। এই বিষয়টি ড্রাই-কাস্ট কংক্রিট পণ্য—বিশেষ করে কংক্রিট ব্লকের—একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরে।

ড্রাই-কাস্ট (Dry-cast) পদ্ধতিতে তৈরি কংক্রিট ব্লক বনাম ওয়েট-কাস্ট (Wet-cast) পদ্ধতিতে তৈরি কংক্রিট

প্রচলিত ‘ওয়েট-কাস্ট’ (wet-cast) পদ্ধতিতে—যেমন ভবনের কলাম, ছাদ বা বিম তৈরির ক্ষেত্রে—উৎপাদিত কংক্রিট তুলনামূলকভাবে ভারী বা ঘন হয়ে থাকে; এর উপাদানগুলোর কাঠামোগত আন্তঃসংযোগ এবং ফাঁকা জায়গার (পরস্পর সংযুক্ত শূন্যস্থান) স্বল্পতার কারণে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে অত্যন্ত সরু ও সংকীর্ণ পথ দিয়ে ধীরগতিতে ভেতরে প্রবেশ করতে হয়।

অন্যদিকে, ‘ড্রাই-কাস্ট’ (dry-cast) পদ্ধতিতে উৎপাদিত কংক্রিট ব্লকগুলোর গঠনপ্রক্রিয়া ও কাঠামোগত বিন্যাসের কারণে এগুলোর ভেতরে পরস্পর-সংযুক্ত শূন্যস্থান (interconnected void) বা ছিদ্র থাকে। এছাড়া, এই ব্লকগুলোর পাতলা বাইরের দেয়াল (face shells) ও ভেতরের সংযোগকারী অংশ (webs) থাকায় CO₂ কংক্রিট কাঠামোর ভেতরে প্রবেশের সুযোগ বেশি পায়।

এ কারণেই গবেষণায় দেখা গেছে যে, ‘ড্রাই-কাস্ট’ (dry-cast) পদ্ধতিতে উৎপাদিত কংক্রিট ব্লকের স্বাভাবিক কার্বোনেশন হার ‘ওয়েট-কাস্ট’ (wet-cast) পদ্ধতিতে উৎপাদিত কংক্রিটের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। কংক্রিট ব্লকের টেকসই (sustainable) ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক।

গবেষণায় কী পাওয়া গেছে?

এখানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় তথ্যগুলো আসে কংক্রিট ব্লক নিয়ে করা উত্তর আমেরিকার একটি গবেষণা থেকে। ২০২০ সালে, NCMA Foundation (যুক্তরাষ্ট্রের কংক্রিট অ্যাসোসিয়েশন) উত্তর আমেরিকা জুড়ে বিভিন্ন স্থান থেকে সংগৃহীত নয়টি সেটের কংক্রিট ব্লক নমুনা ব্যবহার করে কার্বন শোষণের হার পরিমাপের জন্য একটি গবেষণা শুরু করে। গবেষণাটি ‘ASTM Masonry Symposium’-এ একটি ‘পিয়ার-রিভিউড’ (বিশেষজ্ঞ-পর্যালোচিত) গবেষণাপত্র হিসেবে উপস্থাপিত হয় এই কংক্রিট ব্লকগুলোর ওপর ২ বছর পর্যন্ত আবহাওয়ায় রেখে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণার গড় ফলাফল অনুযায়ী:

  • ২৮ দিনে: কংক্রিট ব্লক প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ১৯ কেজি কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণের হার দেখিয়েছে।
  • ২ বছর পরে: এই পরিমাণ বেড়ে প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ৪২ কেজি হয়েছে।

অর্থাৎ কংক্রিট পণ্য তৈরি হওয়ার পর সময়ের সঙ্গে CO₂ শোষণ চলতে থাকে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তুলনা পাওয়া যায়। এই শোষণ:

  • ২৮ দিনে লাইমস্টোন পোড়ানো থেকে প্রাথমিকভাবে নির্গত কার্বন নিঃসরণের প্রায় ২১ শতাংশের সমতুল্য।
  • ২ বছর পরে প্রায় ৪৯ শতাংশের সমতুল্য ছিল।

তবে মনে রাখতে হবে যে, এই পরিসংখ্যানগুলো কেবল সিমেন্ট উৎপাদনের সময় ক্যালসিনেশন প্রক্রিয়া (লাইমস্টোন পোড়ানো) থেকে সৃষ্ট নির্গমনের সাথে তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে; সামগ্রিক ‘এমবডিড কার্বন’ (embodied carbon) নির্গমনের সাথে নয়।

মোট অন্তর্নিহিত কার্বনের (Embodied Carbon) কতটা আবার শোষিত হতে পারে?

এটাই সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।  কংক্রিটের অন্তর্নিহিত কার্বন (embodied carbon) শুধু সিমেন্ট তৈরির জন্য লাইমস্টোন পোড়ানোর প্রক্রিয়া থেকে আসে না।এর মধ্যে রয়েছে:

  • কাঁচামাল সংগ্রহ (যেমন সিমেন্ট, পানি,  ইত্যাদি)
  • এগ্রিগেট (বালি, পাথর ইত্যাদি) সংগ্রহ
  • সিমেন্ট উৎপাদন
  • রাসায়নিক বিক্রিয়া
  • জ্বালানির ব্যবহার
  • উৎপাদন কারখানার কার্যক্রম
  • অন্যান্য উৎপাদন-সম্পর্কিত নির্গমন

এই পুরো অন্তর্নিহিত কার্বন (embodied carbon) বিবেচনা করলে গবেষণায় পাওয়া যায়:

  • ২৮ দিনে → ৮ শতাংশ
  • ২ বছর পরে → প্রায় ১৮ শতাংশ।

এবং বর্তমান তথ্যের গাণিতিক মডেলিং অনুযায়ী অনুমান করা হয়েছে যে, ভবনটির আয়ুষ্কালের প্রথম ২০-২৫ বছরের মধ্যে এই হার প্রায় ২৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

এখানে একটি বিষয় স্পষ্টভাবে বোঝা জরুরি: এর অর্থ এই নয় যে কংক্রিট সম্পূর্ণভাবে কার্বন-নিরপেক্ষ (অর্থাৎ, কার্বন নিঃসরণ ও শোষণের পরিমাণ সমান)। বরং এর অর্থ হলো, কংক্রিট উৎপাদনের সময় যে কার্বন ফুটপ্রিন্ট বা প্রভাব সৃষ্টি হয়, তার একটি অংশ এর ব্যবহারের সময়কালজুড়ে ‘কার্বোনেশন’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনরায় শোষিত বা আবদ্ধ হয়ে যায়।

অর্থাৎ, একটি কংক্রিট পণ্যের পরিবেশগত গল্প শুধু “তৈরির সময় কত কার্বন ডাই-অক্সাইড বের হয়েছে” দিয়ে শেষ হয় না।তার পরের জীবনও বিবেচনা করতে হয়।

কেন এই বিষয়টি টেকসই নির্মাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?

আজ আমরা যখন টেকসই নির্মাণসামগ্রী নিয়ে কথা বলি, তখন শুধু একটি পণ্যের উৎপাদন পর্যায় দেখলে পুরো ছবিটা পাওয়া যায় না।একটি নির্মাণসামগ্রীর ক্ষেত্রে ভাবা দরকার।

কাঁচামাল → উৎপাদন → নির্মাণ → ব্যবহারকাল → কার্বন শোষণ → জীবনকালের শেষ।

কংক্রিটের ক্ষেত্রে কার্বোনেশন এই জীবনচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে কারখানা-প্রস্তুত শুকনো পদ্ধতির কংক্রিট পণ্য—যেমন কংক্রিট ব্লক—এর ক্ষেত্রে স্বাভাবিক কার্বোনেশনের সম্ভাবনা টেকসই হওয়ার আলোচনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

এখানে একটি বড় শিক্ষা হলো: টেকসই নির্মাণ মানে শুধু কম কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন নয়; পুরো জীবনচক্রে সামগ্রীটি কীভাবে কার্বনের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে, সেটিও বোঝা জরুরি।

**উপরের তথ্য উত্তর আমেরিকার কংক্রিট ব্লক গবেষণা থেকে পাওয়া। বাংলাদেশের কাঁচামাল, জলবায়ু, আর্দ্রতা ও আবহাওয়ার পার্থক্যের কারণে ফলাফল কম-বেশি হতে পারে।

তাহলে কংক্রিট ব্লক সম্পর্কে আমাদের কী নতুন করে ভাবা উচিত?

কংক্রিট ব্লককে শুধু “ইটের বিকল্প” হিসেবে দেখলে এর গল্পটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। একটি কারখানা-প্রস্তুত কংক্রিট পণ্যের মধ্যে রয়েছে: শক্তি + স্থায়িত্ব + নির্মাণ দক্ষতা + জীবনচক্রের কার্বন বিবেচনা।

আর কার্বোনেশন আমাদের দেখায় কংক্রিটের একটি কম আলোচিত দিক—“কংক্রিট শুধু কার্বন ফুটপ্রিন্ট তৈরি করে না; সময়ের সঙ্গে পরিবেশের কার্বন ডাই-অক্সাইডের একটি অংশ আবার গ্রহণও করে।”

ভবিষ্যতের নির্মাণ কি আরও চক্রাকার হতে পারে?

টেকসই নির্মাণের ভবিষ্যৎ সম্ভবত এমন একটি ব্যবস্থার দিকে এগোবে যেখানে আমরা শুধু নতুন কাঁচামাল ব্যবহার করব না; বরং সামগ্রীর জীবনচক্র, সম্পদের দক্ষতা, পুনর্ব্যবহার এবং কার্বন প্রভাব—সবকিছু একসঙ্গে বিবেচনা করব।

এই দৃষ্টিভঙ্গিতে কংক্রিট ব্লক বা কংক্রিট মেসনরি একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা তৈরি করবে। কারণ ভবিষ্যতের প্রশ্ন শুধু: “এই নির্মাণসামগ্রী কতটা শক্ত?” অথবা, “প্রতি পিসের দাম কত?” তা নয়। প্রশ্ন হতে পারে আরও বড়:

  • “এই সামগ্রীর পুরো জীবনচক্রের পরিবেশগত প্রভাব কত?”
  • “ব্যবহারের সময় এটি কীভাবে কাজ করে?”
  • “এর কার্বন ফুটপ্রিন্ট কত?”
  • “এবং ব্যবহারকালের সময় কতটা কার্বন ডাই-অক্সাইড আবার শোষণ করতে পারে?”

শেষ কথা: একটি ব্লকের গল্প শুধু একটি ব্লকের গল্প নয়

একটি কংক্রিট ব্লক আমাদের চোখে হয়তো শুধু একটি নির্মাণ পণ্য। কিন্তু বিজ্ঞানের চোখে এর জীবনচক্র আরও বড়। 

এই কার্বন চক্র টেকসই নির্মাণের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। ইকোপ্ল্যানেট-এর কাছে টেকসই নির্মাণসামগ্রী মানে শুধু “সবুজ” শব্দটি ব্যবহার করা নয়। বরং কংক্রিট ব্লক এর পুরো জীবনচক্র, দক্ষতা, স্থায়িত্ব এবং পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে আরও সচেতনভাবে চিন্তা করা।

কারণ আমরা যখন আজ একটি দেয়াল তৈরি করি, সেটি শুধু আজকের জন্য নয়। আমরা এমন ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে চাই—যেখানে ভবন স্থায়ী হবে, সম্পদের ব্যবহার হবে আরও দায়িত্বশীল, আর নির্মাণ হবে আরও টেকসই (sustainable) ।

LEAVE A COMMENT

Your comment will be published within 24 hours.

Copyright 2026 Eco Planet. Developed by Access InfoTech Ltd.